খাতা
মানুষের জমা দেওয়া রিপোর্ট, অযাচাইকৃত। প্রতিটি সারি একটি ঘটনা — কোনো নাম নেই, কোনো ঠিকানা নেই, কোনো তারিখ নেই। কী ঘটেছে, কোথায়, কোন মাসে, কার সাথে সম্পর্ক, পাশে কেউ ছিল কি না, আর কাউকে জানানো হয়েছিল কি না। জেলার নাম কেবল সেই জেলার ক্ষেত্রে, যেখান থেকে অন্তত ২০টি রিপোর্ট এসেছে; বাকি সব সারিতে বিভাগ।
তিন ধারার সব রিপোর্ট এখানে আছে — যাঁর সাথে ঘটেছে, তাঁর হয়ে অন্য কেউ, আর যিনি দেখেছেন। প্রতিটি সারির উপরে লেখা আছে কে জানিয়েছেন। সাক্ষীদের কম প্রশ্ন করা হয়, তাই তাঁদের সারি ছোট। এই পাতার শতাংশগুলো শুধু প্রথম ধারার — তিন ধারা কখনো এক করে ভাগ করা হয় না।
সব সারি একই ছাঁচে লেখা, কারণ ফর্মে লেখার কোনো ঘর নেই — প্রতিটি উত্তর একটি নির্দিষ্ট তালিকা থেকে বেছে নেওয়া। নাম বা ঠিকানা লেখার জায়গা না রাখার এটাই মূল্য।
০টি রিপোর্ট মিলেছে · মোট ৪৯টির মধ্যে
কার্ড আকারে দেখুনফিল্টার: কর্মস্থলে · অন্য কারো হয়ে জানানো
এই ফিল্টারে কোনো রিপোর্ট নেই।
খাতায় ৪৯টি রিপোর্ট আছে, কিন্তু এই সংমিশ্রণে কোনোটি পড়ে না। ফিল্টার বদলে দেখুন।
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
এটি স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট — বাংলাদেশে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রকৃত হার নয়।