তথ্য ও বিশ্লেষণ
খাতায় জমা পড়া রিপোর্ট থেকে যা বেরিয়ে আসে। প্রতিটি সংখ্যার পাশে কতজনের উত্তরের ভিত্তিতে সেটি বলা হচ্ছে তা লেখা আছে, আর যেখানে যথেষ্ট উত্তর নেই সেখানে সংখ্যা দেখানো হয় না।
হিসাব কীভাবে হয় তা পদ্ধতির পাতায় লেখা আছে।
২৯
প্রকাশিত রিপোর্ট
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
এটি স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট — বাংলাদেশে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রকৃত হার নয়।
কে জানিয়েছেন
একটি ঘটনা তিনজন জানাতে পারেন — যাঁর সাথে ঘটেছে, তাঁর হয়ে অন্য কেউ, আর যিনি দেখেছেন। তাই তিনটি ধারা আলাদা করে গোনা হয় এবং কখনো এক করা হয় না; এক করলে একই ঘটনা তিনবার গোনা হতো। এই পাতার বাকি সব সংখ্যা কেবল প্রথম ধারার।
২৯
নিজের সাথে ঘটেছে
১১
অন্য কারো হয়ে
৯
সাক্ষী হিসেবে
৪৯টি রিপোর্ট তিন ধারা মিলিয়ে জমা পড়েছে
২২%
রিপোর্ট অন্য কারো হয়ে জমা দেওয়া
(n=৪৯)
উৎস: অন্য কারো হয়ে জানানো রিপোর্ট, তিন ধারার মোটের তুলনায়।
০
রিপোর্টে ভুক্তভোগী একজন শিশু (১৮-র নিচে)
(n=১১)
কেউ এগিয়ে এসেছিল কি না — দুই পক্ষের কথা
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
সাক্ষীরা বলেছেন তাঁরা এগিয়ে গিয়েছিলেন
(n=৯)
উৎস: সাক্ষীদের রিপোর্ট।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
ভুক্তভোগীরা বলেছেন কেউ এগিয়ে এসেছিলেন
(n=১)
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
দুটি আলাদা দলের কথা, আলাদা হিসাব — একই ঘটনার দুই পক্ষ নয়। একটিকে অন্যটি দিয়ে ভাগ করা হয়নি এবং যাবেও না।
নীরবতার কারণ
যাঁরা ঘটনার কথা কাউকে জানাননি, তাঁরা কেন জানাননি। এই প্রশ্নটি শুধু তাঁদেরই করা হয়, তাই এখানকার n পুরো খাতার চেয়ে ছোট।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
জানানোর পর কী হয়েছে
প্রতিষ্ঠান, পুলিশ বা আইনি সহায়তায় যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কী হয়েছিল। যাঁরা কাউকে জানাননি তাঁরা এই হিসাবের বাইরে।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
কে থামায়
হয়রানি শেষ পর্যন্ত কীভাবে থেমেছে। এই ভাগটি দেখায় ভারটা কার কাঁধে পড়ে — ভুক্তভোগীর, না প্রতিষ্ঠানের।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
(n=১) — ৩০টি রিপোর্ট না হলে ভাগ দেখানো হয় না
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
কী মূল্য দিতে হয়েছে
একজন একাধিক উত্তর দিতে পারেন — চাকরি ছেড়েছেন এবং বাসাও বদলেছেন — তাই এখানকার শতাংশ যোগ করলে ১০০-র বেশি হয়।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
(n=১) — ৩০টি রিপোর্ট না হলে ভাগ দেখানো হয় না
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
গ্রাম ও শহর
একই প্রশ্ন — ঘটনার কথা কাউকে জানিয়েছিলেন কি না — এলাকা অনুযায়ী আলাদা করে। প্রতিটি এলাকার নিজের n আছে, আর ৩০-এর কম হলে সেই এলাকার শতাংশ দেখানো হয় না।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
মহানগর — কাউকে জানাননি
(n=১৪)
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
জেলা শহর — কাউকে জানাননি
(n=৯)
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
উপজেলা বা মফস্বল — কাউকে জানাননি
(n=৪)
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
গ্রাম — কাউকে জানাননি
(n=২)
রিপোর্টের সংখ্যা: মহানগর ১৪ · জেলা শহর ৯ · উপজেলা বা মফস্বল ৪ · গ্রাম ২
কোথায় ঘটে
কোন পরিসর থেকে কত রিপোর্ট এসেছে। এটি সংখ্যা, হার নয় — বেশি রিপোর্ট মানে বেশি হয়রানি নয়, বেশি জানানো।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
(n=২৯) — ৩০টি রিপোর্ট না হলে ভাগ দেখানো হয় না
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
বিভাগ অনুযায়ী
কোন বিভাগ থেকে কত রিপোর্ট এসেছে। যথেষ্ট রিপোর্ট জমলে প্রতি ১ লাখ মানুষে হারও দেখানো হবে — জনসংখ্যা BBS আদমশুমারি ২০২২ থেকে, অনুমান নয়।
| বিভাগ | রিপোর্ট |
|---|---|
| ঢাকা | ১৬ |
| চট্টগ্রাম | পর্যাপ্ত তথ্য নেই |
| খুলনা | পর্যাপ্ত তথ্য নেই |
| সিলেট | পর্যাপ্ত তথ্য নেই |
| ময়মনসিংহ | পর্যাপ্ত তথ্য নেই |
| রাজশাহী | পর্যাপ্ত তথ্য নেই |
| রংপুর | পর্যাপ্ত তথ্য নেই |
| বরিশাল | ০ |
(n=২৯)
প্রতি ১ লাখে হার এখনো দেখানো হচ্ছে না। বিভাগে বিভাগে তুলনা করতে অন্তত ৬টি বিভাগে ৩০০০টি করে রিপোর্ট লাগে — তার কম হলে হারগুলো এত ছোট হয় যে তুলনা করে কিছু বোঝা যায় না। সেই তথ্য জমলে হারের কলাম আপনাআপনি ফিরে আসবে।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই — রিপোর্টের সংখ্যা ৫টির কম হলে সেটি দেখানো হয় না।
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
এটি স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট — বাংলাদেশে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রকৃত হার নয়।
জেলা অনুযায়ী রিপোর্ট
জেলার নাম কেবল তখনই দেখানো হয় যখন সেই জেলা থেকে অন্তত ২০টি রিপোর্ট এসেছে। এর কম হলে জেলার নাম লেখা হয় না — নামটিই বলে দিত কে জানিয়েছেন এমন একটি জায়গায় যেখানে জানানো মানুষ হাতে গোনা।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই — কোনো জেলা এখনো ২০টি রিপোর্টে পৌঁছায়নি।
আরও ১টি রিপোর্ট এমন জেলা থেকে এসেছে যেগুলো এখনো ২০টিতে পৌঁছায়নি। সেগুলো বিভাগের হিসাবে ধরা আছে, জেলার নাম লেখা হয়নি।
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
আইন পালনের ফাঁক
কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিযোগ কমিটি থাকার কথা। ছিল কি না, আর থাকলে নিষ্পত্তি হয়েছিল কি না — এই প্রশ্ন দুটি শুধু ওই দুই পরিসরেই করা হয়।
কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো রিপোর্টে এখনো এই প্রশ্নের উত্তর আসেনি।
এই প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ দেননি, তাই দেখানোর মতো কোনো ভাগ নেই।
জানা ও না-জানা
ঘটনার সময় কোথায় জানাতে হয় তা জানতেন কি না, আর ঘটনায় একজন নাকি একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
কোথায় জানাতে হয় তা জানতেন না
(n=১)
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল
(n=২)
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
ঘটনা যাঁদের সাথে ঘটেছে
প্রশ্নটি ঐচ্ছিক, তাই অনেক রিপোর্টে এই উত্তর নেই। এটি এখানে আছে একটি কারণে: ছেলে ও পুরুষ ভুক্তভোগীদের নিয়ে বাংলাদেশে কোনো নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্য নেই।
পর্যাপ্ত তথ্য নেই
(n=২) — ৩০টি রিপোর্ট না হলে ভাগ দেখানো হয় না
উৎস: নিজের সাথে ঘটেছে যাঁদের, তাঁদের রিপোর্ট।
এই পাতার প্রতিটি সংখ্যা স্বেচ্ছায় জমা দেওয়া রিপোর্ট থেকে। কে জমা দেবেন তা কেউ বেছে দেননি, তাই এটি বাংলাদেশের প্রকৃত হয়রানির হার নয় — যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা কী জানিয়েছেন তার হিসাব।